ভ্রমণ সংস্থার আড়ালে মহিলার রমরমিয়ে দেহব্যবসা, পুলিশের হানা….

177

ফের মধুচক্রের পর্দা ফাঁস হলো ভারতের কলকাতায়। ভ্রমণ সংস্থার আড়ালে রমরমিয়ে চলছিল দেহব্যবসা। ঘটনায় তিন মহিলা-সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কলকাতার চারু মার্কেট থানা এলাকার সুলতান আলম রোডের একটি ফ্ল্যাটে বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছিল দেহব্যবসা। কিন্তু বাইরে থেকে তা ছিল একটি ভ্রমণ সংস্থা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই ফ্ল্যাটে তরুণ-তরুণীর যাতায়াত লেগেই থাকত। সন্ধে নামলেই সেখানে ঢুকতে দেখা যেত সুন্দরী স্বল্পবসনা মহিলাদের। রাতে চলত দেদার মদ্যপান। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে ভেসে আসত অশ্লীল শব্দ। এতেই সন্দেহ দানা বাঁধে।

 

চারু মার্কেট থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতের দিকে ফ্ল্যাটের চারতলায় হানা দেয় পুলিশ। তখনই ফাঁস হয় মধুচক্র। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তিন মহিলা, এক পুরুষ ও এক দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বেশ কিছু সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে। কী করে দক্ষিণ কলকাতার এমন জনবহুল এলাকায় রমরমিয়ে দেহব্যবসা চলছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জানা যাচ্ছে, কয়েক মাস আগে ডলি ঘোষ নামের এক মহিলাকে ভ্রমণ সংস্থা চালানোর জন্য ফ্ল্যাটটি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। সংস্থার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘মনপঙ্খ ট্যুরস ট্রাভেলস।’ কিন্তু তার আড়ালেই জমে ওঠে দেহব্যবসা। খদ্দেরদের সেই ঠিকানার সন্ধান দেওয়ার জন্য একজন দালাল ঠিক করা হয়েছিল। খদ্দের দেওয়ার বিনিময়ে কমিশন পেত সে। তবে শহরে এই ঘটনা নতুন নয়। সম্প্রতি গড়িয়াহাট চত্বরে থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে এক আবাসনে মধুচক্রের সন্ধান পেয়েছিল পুলিশ। ম্যানেজারের অঙ্গুলিহেলনে অভিজাত এলাকায় সকলের চোখে ধুলো দিয়েই প্রকাশ্যে চলত অবৈধ দেহব্যবসা। সেই ঘটনায় ছড়িয়েছিল তীব্র চাঞ্চল্য। গ্রেপ্তার করা হয় মোট ১১ জনকে।