Home / Politics / এ কি বললেন খালেদা জিয়া…, জেনে নিন বিস্তারিত-

এ কি বললেন খালেদা জিয়া…, জেনে নিন বিস্তারিত-

বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, রাষ্ট্রক্ষমতার অবৈধ দখলদাররা চায়নি আমি রাজনীতিতে থাকি। আমি রাজনীতি না করলে তারা আমাকে অনেক বেশি সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা বলেছিলো। রাজনীতি করলে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে আমাকে ভয়-ভীতিও দেখানো হয়েছিলো। সবকিছু উপেক্ষা করে আমি রাজনীতিতে সক্রিয় ভ‚মিকা রাখি। গতকাল (মঙ্গলবার) বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে জিয়াউর রহমান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থানের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী বক্তব্যে মামলার বিষয়ে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সম্পূর্ণ বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান। মানবসেবা ও কল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানে সরকারি কিংবা রাষ্ট্রীয় কোনো সংস্থা থেকে কোনো ধরণের কোনো আর্থিক সহায়তা কখনো নেয়া হয়নি। রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কোনো তহবিল থেকে এই ট্রাস্টে একটি পয়সাও কখনো নেয়া বা বরাদ্দ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে অথবা প্রধানমন্ত্রী পদের কোনোরূপ প্রভাব খাটিয়ে এই ট্রাস্টের জন্য কোনো অর্থ সংগ্রহ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কোনো স্বাক্ষীর অথবা ডকুমেন্টারি সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এমন কিছু প্রমানও হয়নি যে, প্রধানমন্ত্রী পদের কোনো অপব্যবহার করা হয়েছে। তাহলে কেন এ মামলা? এ মামলার কারণ, এই ট্রাস্ট গঠনের সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ বিএনপি’র। এর সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা বিএনপি’র চেয়ারপার্সন হিসেবে।

তিনি বলেন, বিএনপি এবং আমাকে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা তাদের প্রতিপক্ষ মনে করে। তাদের বিভিন্ন কথা ও আচরণে প্রমাণিত যে, তারা বিএনপি এবং আমাকে যে কোনো পন্থায় হেয়, হয়রানি ও হেনস্তা করতে বদ্ধপরিকর। তারা ক্ষমতাসীন হবার পর সম্পূর্ণ হীন সেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাই এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। সর্বোপরি, এ ট্রাস্ট করা হয়েছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে। তাঁর স্মৃতি ও আদর্শকে জীবন্ত রাখার উদ্দেশ্যে। প্রতিহিংসার এটি একটি বড় কারণ।

বেগম জিয়া বলেন, এ মামলায় আমার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী পদের ক্ষমতার অপব্যবহারের কোনো অভিযোগ সম্পর্কিত কোনো সাক্ষ্য কেউই দেননি। আমি এ ট্রাস্ট্রের জন্য সরকারি বা রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে একটি পয়সাও বরাদ্দ দেইনি কিংবা নেইনি। কোনো তহবিল তছরূপ বা আত্মসাতেরও কোনো অভিযোগ নেই। অথচ আমার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ মারফৎ স্পষ্টভাবে প্রমাণ হয়নি যে, আমি কোনোভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছি। কিভাবে এবং কোন পন্থায়, কোন কোন পদক্ষেপের মাধ্যমে আমি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছি তা তো স্পষ্ট ও পরিষ্কার করে বলতে হবে। শুধু ঢালাও অভিযোগ আনলেই হবে না। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সন্দেহাতীতভাবে আদালতে সেগুলো প্রমাণ করতে হবে। সেটা তারা করতে পারেনি। শহীদ জিয়াউর রহমান চ্যারিটেবল ট্রাস্টের কোনো কাজ আমি প্রধানমন্ত্রী পদের প্রভাব খাটিয়ে করিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লিখিত বা মৌখিক কোনো নির্দেশ কাউকে দেইনি। তাই আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই যে, আমার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন। বরং দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা এ মামলাটিই মূলত: করা হয়েছে ক্ষমতার অপব্যবহার করে।

 জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থের উৎসের বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা দুনিয়ায় রাজনৈতিক দলের তহবিল নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে দান-অনুদান ও চাঁদা গ্রহণের মাধ্যমেই সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বৈধ ও আইনসম্মত। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোও একইভাবে তহবিল সংগ্রহ করে থাকে। কিছুদিন আগে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে টানা কয়েকদিন ধরে আলোকসজ্জা হয়েছে নগরীতে। আর সকল ক্ষেত্রে যে জৌলুস করা হয়েছে তাতে ব্যয় হয়েছে কোটি কোটি টাকা। বিপুলভাবে ব্যয় করা সে অর্থের উৎস নিয়ে কোনো মামলা হয়নি। হলে নিশ্চয়ই তারা বলবেন, চাঁদা ও দান-অনুদান থেকেই ওই বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার দান-অনুদান ও চাঁদা গ্রহণ করেছে। এভাবে তহবিল সংগ্রহ করা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি। কেবল আমাদের ক্ষেত্রে কেন প্রশ্ন উঠবে? এ দেশে রাজনৈতিক দলের আয়-ব্যয় ও জমা-খরচের অডিট এক সময়ে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক ছিল না। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের জন্য তহবিল সংগ্রহের সময়েও দলের আয়-ব্যয় ও জমা-খরচের অডিটের বাধ্যবাধকতা ছিল না। তা সত্বেও আমরা যতদূর সম্ভব স্বচ্ছতার সঙ্গে সবকিছুর হিসাব সংরক্ষণ করেছি এবং সে হিসাবে কোনো গরমিল নেই।

বিচারককে বিএনপি প্রধান বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে ট্রাস্টের জন্য চাঁদা গ্রহণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ থাকার পরেও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা সে মামলা হাইকোর্টে খারিজ হয়েছিলো। যদি সেটা দুর্নীতি না হয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার না হয়ে থাকে, তাহলে আমার বিরুদ্ধে এ মামলার রায় ও ফলাফল কী হওয়া উচিত সেটা আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। আমাকে হেয় ও হেনস্তা করার উদ্দেশ্যেই কেবল এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিচারককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও চাঁদাবাজীসহ নানান রকম মামলা বিভিন্ন সময়ে হয়েছে। কিন্তু তার পরম সৌভাগ্য, কখনো তাকে আমার মতো আদালতে এমন করে হাজিরা দিতে হয়নি। আমি আইন-আদালত ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন নাগরিক। তাই এই বয়সে এতো ব্যস্ততা ও নানান সমস্যার মধ্যেও যতদূর সম্ভব আদালতে সশরীরে হাজির থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার আইনজীবীরা আইনানুগ পন্থায় মামলাসমূহ মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, আমি কখনো অনিবার্য কারণে আদালতে উপস্থিত হতে না পারলে আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করার মতো ঘটনা ঘটছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বলেন, আমি নিজেকে আইন ও বিচারের উর্ধ্বে মনে করিনা। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই যে, একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হয়েও আরেকজন নেত্রী যেসব সুবিধা ভোগ করেছেন, আমি কখনো আদালতের কাছে তেমন সুবিধা দাবি করিনি। আমি দেশের একজন সাধারণ সিনিয়র সিটিজেনের প্রাপ্য অধিকারটুকু পেলেই খুশি। আইনসম্মতভাবে ন্যায়বিচার ছাড়া মাননীয় আদালতের কাছে আমার চাইবার আর কিছু নেই।

তিনি বলেন, আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, শেখ হাসিনার হাতে কোনো এক জাদুর কাঠি আছে। সেই জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় তার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি, অনিয়ম ও চাঁদাবাজিসহ সকল মামলা তিনি সরকারে আসার পর একে একে উঠে গেলো অথবা খারিজ হয়ে গেলো। আমাদের আর কারো হাতে তেমন কোনো যাদুর কাঠি নেই। কাজেই একই সময়ে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো একের পর এক সচল হয়েছে ও গতিবেগ পেয়েছে। হয়েছে নতুন নতুন আরো মামলা। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটিও তেমনই একটি নতুন মামলা। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং বিরোধী দলকে হেনস্তা করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে।

দেশে কতো গুরুত্বপূর্ণ মামলা বছরের পর বছর ধরে চলছে। কতো মামলা ঝুলে আছে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে মামলাগুলো পেয়েছে রকেটের গতি। যেন কেউ পেছন থেকে তাড়া করছে, শিগগির শেষ করো। তড়িঘড়ি করে একটা রায় দিয়ে দাও বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। কেন, কোন উদ্দেশ্যে এবং কিসের জন্য এতো তাড়াহুড়া? এই তাড়াহুড়ায় কি ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে? নাকি ন্যায়বিচারের কবর রচিত হবে? তিনি বলেন, আমাদের হাতে যাদুর কাঠি থাকলেও আমরা বলতাম না, মামলা প্রত্যাহার করেন। আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করতাম। এখনো আদালতের কাছে কেবল ন্যায়বিচারই প্রত্যাশা করছি। আশা করি সকল প্রভাবের উর্ধ্বে উঠে আমাদের প্রতি আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার করা হবে।

ন্যায়বিচারের কথা জোর দিয়ে এতো বারবার আমি বলছি, এর কারণ আছে। কারণ, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে কি-না সে ব্যাপারে দেশবাসীর ঘোরতর সন্দেহ রয়েছে। আমরাও শঙ্কিত। এই মামলাসহ আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভিন্ন মামলার তদন্ত ও বিচারকাজ চলার সময় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভার অনেক সদস্য এবং শাসক দলের কোনো কোনো নেতা আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে বক্তব্য দিয়েছেন। আমাকে অভিযুক্ত করে বিরূপ প্রচারণা চালিয়েছেন। যেন তারা মামলার রায় কি হবে তা আগাম জানেন। অথবা তারা তাদের বক্তব্যে মাননীয় আদলতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। তদন্ত ও বিচারাধীন বিষয়ে ক্ষমতাসীনদের এহেন অপপ্রচার শুধু ন্যয়বিচারকেই প্রভাবিত করেনা, বরং তা আদালত অবমাননার শামিল। এখানেই শেষ নয়, মামলার রায়ে আমার সাজা হবে এবং আমাকে কাশিমপুর কারাগারে রাখা হবে বলে ইতিমধ্যে কোনো কোনো মন্ত্রী প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন। কোনো কোনো মন্ত্রী এবং শাসক দলের কোনো কোনো নেতা প্রায় নিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন, আমাকে রাজনীতির অঙ্গন থেকে বিদায় করে দেওয়া হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, রাজনৈতিক অসৎউদ্দেশ্যে আমাকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরাতে এবং নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে ক্ষমতাসীনরা একটি নীলনকশা প্রণয়ন করেছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট, মতামত ও বিশ্লেষণ প্রকাশিত হয়েছে। সরকারের উচ্চ মহলের কার্যকলাপ, তৎপরতা এবং বক্তব্য-বিবৃতি থেকে তা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। আর এসব কারণেই দেশবাসীর মনে ঘোরতর সন্দেহ রয়েছে যে, আমার বিরুদ্ধে মামলাগুলোতে ন্যায়বিচার হবে না। শাসক মহলের ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের বিরুদ্ধে কোনো একটা রায় দেওয়া হবে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতে চাই যে, আপনি সাহস ও সততার সঙ্গে সরকারের প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার করবেন।

খালেদা জিয়া বলেন, জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ছিল আমাদের স্বাধীনতার লক্ষ্য। স্বাধীনতার সেই সব লক্ষ্য আজ পদদলিত। গোটা জাতি আজ লাঞ্ছিত ও নির্যাতিত। সমগ্র বাংলাদেশকেই আজ এক বিশাল কারাগার বানানো হয়েছে। সবখানেই চলছে অস্থিরতা ও গভীর অনিরাপত্তাবোধ। মিথ্যা ও সাজানো মামলায় বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মী এই মুহূর্তে কারাগারে বন্দী। বিএনপি’র প্রায় ৭৫ হাজার নেতা-কর্মী বিভিন্ন মেয়াদে কারা নির্যাতন ভোগ করেছেন। ৪ লাখের বেশি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ২৫ হাজারের মতো মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতন, হয়রানি ও গ্রেফতারের ভয়ে বহু নেতা-কর্মী বাড়ি-ঘরে থাকতে পারেন না। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। গুম, খুন, অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বিরোধী দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী। তাদের ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল।

দেশে সাংবিধানিক শাসন কোথায় প্রশ্ন তুলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বড় বেশি বলা হয়। কিন্তু কোথায় আজ সাংবিধানিক শাসন? আমাদের সংবিধান নাগরিকদেরকে যেসব অধিকার দিয়েছে, কোথায় আজ সেসব অধিকার? কোথায় আজ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার? সূত্র: ইনকিলাব।

 

Check Also

প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফর আজ..

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সিলেটে আসছেন। তাঁর সফর ঘিরে সাজসজ্জা যেন নির্বাচনী উৎসবের কথা …